নরসিংদীতে মানুষকে ঘরমূখী করতে র‌্যাব-১১ ও জেলা পুলিশের যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

0
66

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে

নাজাত ডেক্সঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নরসিংদীতে মানুষকে ঘরমূখী করতে র‌্যাব-১১ ও জেলা পুলিশের যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ মার্চ) নরসিংদী শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় র‌্যাব-১১ ও জেলা পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল এবং এক বিশাল গাড়িবহর নিয়ে প্রদক্ষিণ করে। এ সময় তারা রাস্তায় অবস্থানরত সাধারণ জনগণকে ঘরমূখী হতে অনুরোধ জানান। অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, রাস্তার মোড়ে মোড়ে জমায়েত হয়ে আড্ডা না দেয়া, বিশেষ প্রয়োজনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা ও করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান। এই যৌথ টহল চলাকালে সাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। রাস্তায় জনচলাচল কমে যায়। যৌথ মহড়ায় র‌্যাব-১১ ও জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ অংশ গ্রহন করেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মহামারী আকার ধারণ করেছে। করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ কোভিড-১৯ এর বিশ¡ব্যাপী প্রাদুর্ভাব ও দ্রুত বিস্তারের ফলে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ও ভয়ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক রোধে এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে র‌্যাব-১১ নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দৈনন্দিন অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি র‌্যাব-১১ কর্তৃক করোনা ভাইরাস প্রতিকারের লক্ষে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় জনসমাগম স্থানে হ্যান্ড ওয়াশিং পয়েন্ট স্থাপনসহ করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো এবং নিয়মিত মাইকিং এর মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ২৮ মার্চ হতে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত র‌্যাব-১১ এর সর্বমোট ৮ টি সফল অভিযানে মোট ৯ হাজার ৫’শ ৪০ পিস ইয়াবা, ৪০ কেজি গাঁজা, ১’শ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৫’শ কেজি অ্যালকোহল, ১ হাজার ৮’শ বোতল নকল হ্যান্ড-স্যানিটাইজার, ১ হাজার ২’শ ৫০ টি বিভিন্ন ব্যান্ডের লেবেল, ১টি ট্রাক, ১টি পিকআপ, ১টি মাইক্রোবাস, ৪টি মোবাইল, ৫টি সিম, নগদ ১২ হাজার ৩ শত ৭০ টাকা এবং ১ জন অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ ৭ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ৩ জন চাঞ্চল্যকর ধর্ষনকারীসহ মোট ১০ জন আসামীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।

করোনা ভাইরাস প্রতিকারের লক্ষ্যে জনসমাগম প্রতিরোধ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি র‌্যাব-১১ এর দৈনন্দিন অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধের উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতার, আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। র‌্যাব-১১ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রতারণা, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দমনের লক্ষ্যে র‌্যাব অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অপরাধ ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

। শনিবার (৪ মার্চ) নরসিংদী শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় র‌্যাব-১১ ও জেলা পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল এবং এক বিশাল গাড়িবহর নিয়ে প্রদক্ষিণ করে। এ সময় তারা রাস্তায় অবস্থানরত সাধারণ জনগণকে ঘরমূখী হতে অনুরোধ জানান। অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, রাস্তার মোড়ে মোড়ে জমায়েত হয়ে আড্ডা না দেয়া, বিশেষ প্রয়োজনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা ও করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান। এই যৌথ টহল চলাকালে সাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। রাস্তায় জনচলাচল কমে যায়। যৌথ মহড়ায় র‌্যাব-১১ ও জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ অংশ গ্রহন করেন।

নাজাত ডেকাসঃ র‌্যাব সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মহামারী আকার ধারণ করেছে। করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ কোভিড-১৯ এর বিশ¡ব্যাপী প্রাদুর্ভাব ও দ্রুত বিস্তারের ফলে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ও ভয়ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক রোধে এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে র‌্যাব-১১ নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দৈনন্দিন অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি র‌্যাব-১১ কর্তৃক করোনা ভাইরাস প্রতিকারের লক্ষে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় জনসমাগম স্থানে হ্যান্ড ওয়াশিং পয়েন্ট স্থাপনসহ করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো এবং নিয়মিত মাইকিং এর মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ২৮ মার্চ হতে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত র‌্যাব-১১ এর সর্বমোট ৮ টি সফল অভিযানে মোট ৯ হাজার ৫’শ ৪০ পিস ইয়াবা, ৪০ কেজি গাঁজা, ১’শ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৫’শ কেজি অ্যালকোহল, ১ হাজার ৮’শ বোতল নকল হ্যান্ড-স্যানিটাইজার, ১ হাজার ২’শ ৫০ টি বিভিন্ন ব্যান্ডের লেবেল, ১টি ট্রাক, ১টি পিকআপ, ১টি মাইক্রোবাস, ৪টি মোবাইল, ৫টি সিম, নগদ ১২ হাজার ৩ শত ৭০ টাকা এবং ১ জন অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ ৭ জন মাদক ব্যবসায়ী ও ৩ জন চাঞ্চল্যকর ধর্ষনকারীসহ মোট ১০ জন আসামীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।

করোনা ভাইরাস প্রতিকারের লক্ষ্যে জনসমাগম প্রতিরোধ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি র‌্যাব-১১ এর দৈনন্দিন অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধের উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতার, আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। র‌্যাব-১১ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রতারণা, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দমনের লক্ষ্যে র‌্যাব অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অপরাধ ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

রিপ্লাই লিখতে চাই