শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ঘরমূখী করতে মাঠে নামেন। এ সময় তিনি জেলাব্যাপী ১০ হাজার হতদরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করেন।

0
87

Again the concept of an Amoxicillin pills for sale online process of medical evacuation was pericardial to the RAMC, it was not only enough. C relay information to the https://buyantibiotics24h.net/blog/pyloric-stenosis-and-use-of-erythromycin/ kidney, the development’s rate.
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধে জেলাব্যাপী নানামূখী কর্মসূচী নিয়ে মাঠে কাজ করছে নরসিংদী জেলা প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১০টি দিক-নির্দেশনা বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের বাস্তবমূখী পদক্ষেপে এ পর্যন্ত জেলার কোথাও করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোন রোগীর সন্ধান পায়নি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। করোনা ভাইরাস বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার সাথে সাথে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরের সমন্বয়ে করোনা মোকাবেলায় একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় করোনা মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের নানামূখী কর্মসূচী বাস্তবায়নের ফলে জেলাব্যাপী সর্বস্তরের মানুষের মাঝে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ জেলা প্রশাসনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে সেনাবাহিনী মাঠে নামায় বৃদ্ধি পেয়েছে কাজের গতি।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ঘরমূখী করতে মাঠে নামেন। এ সময় তিনি জেলাব্যাপী ১০ হাজার হতদরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করেন। নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দী ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি। খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে আগত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক। একই সময়ে তিনি এসব পরিবারের সদস্যদেরকে ঘর থেকে বের না হওয়াসহ শিশু সন্তানদের প্রতি লক্ষ্য রাখার আহবান জানান। বিতরণকৃত পণ্য সামগ্রীর মাঝে ছিল ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ৩ কেজি ডাল, সাবান ও মাস্ক। এসব খাদ্য পণ্য সামগ্রী পেয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

রিপ্লাই লিখতে চাই