নরসিংদী চিনিশপুর রাজাদী গ্রামের ছাত্রী ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার

0
1743

শেখ রাসেলঃ

নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সৈয়দুজ্জামান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ পরিদর্শক (অপস) মোঃ তোফাজ্জল হোসেন,এস,আই মোঃ নাঈমুল মুস্তাক ও ফোর্সসহ রাতেই চিনিশপুর ইউনিয়নের রাজাদী গ্রামের তয় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের আসামি ধর্ষক আল আমিনকে পলাশ থানার মাঝের চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নরসিংদীতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। রোববার রাতে সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের রাজাদী গ্রামের কালীর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও ভুক্তোভোগীর পরিবার জানায়, রোববার বিকেলে শিশুটি স্কুল শেষে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় রাজাদী গ্রামের কালীর বাজার এলাকায় পৌঁছালে তার গতিরোধ করে পলাশ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের কলার বেপারী আলামিন নামের এক বখাটে। পরে শিশুটির মুখ চেপে ধরে পার্শ্ববর্তী একটি কলার ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গামছা দিয়ে তার মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে কলার ক্ষেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসক ও পরে অবস্থার অবনতি হলে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।অবস্থার অবনতি হলে রাত ১০টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
হাসপাতালের বেডে কাতরাতে কাতরাতে শিশুটি বলে, ‌‘স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। আমার এক সহপাঠীকে স্কুল ব্যাগটি বাড়িতে রেখে আসতে বলে দোকানে যাচ্ছিলাম। এ সময় একটা লোক আমার বাবার নাম জানতে চায়। এক পর্যায়ে আমার মুখে চাপ দিয়ে ধরে অন্ধকার একটি কলার ক্ষেতে নিয়ে যায়।’
নির্যাতিত শিশুটির রিকশাচালক বাবা বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে একটি কলা ক্ষেতে গোঙানির শব্দ শুনতে পাই। সেখানে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে পড়ে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। আমি ধর্ষকের বিচার চাই।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি টিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।এ ঘটনায় রাতেই চিনিশপুর ইউনিয়নের রাজাদী গ্রামের তয় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের আসামি ধর্ষক আল আমিনকে পলাশ থানার মাঝের চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

রিপ্লাই লিখতে চাই