র‌্যাম্প মডেলদের ফিটনেস–রহস্য

0
11
ছবি: আবু নাসের
র‌্যাম্প মডেলদের কাছে ফিট থাকাটা তাঁদের পেশারই অংশ। নিজেদের সেভাবেই প্রস্তুত করেন তাঁরা। ফিট না থাকলে কেউ র‌্যাম্প মডেল হতে পারবেন না। এখনকার র‌্যাম্প মডেলরা জিমে যান, শরীর ভালো রাখার জন্য নানা নিয়ম মেনে চলেন। এটা তাঁদের ক্যারিয়ার বা পেশাগত চাহিদা থেকেই করেন। লিখেছেন মডেল ও কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদ

র‌্যাম্প মডেলরা এমনিতেই অনেক প্রাণবন্ত থাকেন। ‘স্বতঃস্ফূর্ত, প্রাণবন্ত’ স্বভাবের কারণে তাঁদের অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়।

আমরা র‌্যাম্প মডেলরা কিন্তু জানি ফিট থাকাটা আমাদের কাজেরই একটা অংশ। একেকটা পেশার জন্য একেকভাবে প্রস্তুত হতে হয়। ফিট না থাকলে কেউ র‌্যাম্প মডেল হতে পারবেন না। একটা সময় হয়তো আমরা নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়ার করে ফিট থাকতাম। কেউ কেউ জিনগতভাবেই স্লিম ছিলেন। কিন্তু এখনকার যে প্রজন্ম, সে প্রজন্ম নিজেদের ফিট রাখার জন্য আরও অনেক কষ্ট করে। এখনকার র‌্যাম্প মডেলরা জিমে যান, শরীর ভালো রাখার জন্য নানা নিয়ম মেনে চলেন। এটা তাঁদের ক্যারিয়ার বা পেশাগত চাহিদা থেকেই তাঁরা করেন।

র‌্যাম্প মডেলদের ডায়েট
ডায়েট চার্ট আসলে একেকজনের একেক রকম হয়, র‌্যাম্পের মডেলদের বেলায়ও তা–ই। তবে সবাই পরিমিত খাওয়ার বিষয়ে সচেতন থাকেন। আমি যদি এই কথাটা সহজভাবে বলি, তাহলে বলতে হবে ‘সময়মতো, পরিমিত খাওয়া’। এ দুটি বিষয় যদি মেনে চলা যায়, তবে যে কেউ ভালো থাকতে পারবেন।

একটা জিনিস খেয়াল করলে দেখবেন, আমরা যখন মহড়া করি, তখন সেটা টানা দুই–তিন ঘণ্টা ধরে করি। এখানে কিন্তু র‌্যাম্প মডেলদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়। মহড়ার সময় কেউ বসেও থাকেন না। সেখান থেকে একজন মডেল যখন র‌্যাম্পে যান, তখন কিন্তু অনেক হাঁটতে হয় তাঁকে। বাংলাদেশ ফ্যাশন উইকের মতো আয়োজনে ১০০ ফুটের বেশি দীর্ঘ মঞ্চ থাকে। সেখানে একটা মডেল কমপক্ষে ৮০০ থেকে হাজার ফুট হাঁটেন। শুধু শোয়ের সময়। মহড়ার কথা বাদই দিলাম। মহড়া আর শোয়ের দিনগুলোতে অনেক সময় ভারী খাওয়া হয়ে যায় মডেলদের। তবে মহড়া আর শোতে যে পরিশ্রম হয় তাতে প্রচুর ক্যালরি খরচ হয়।

রিপ্লাই লিখতে চাই