গোল খেয়ে বমি করেছেন কোর্তোয়া

0
187
গত রাতে প্রথমার্ধেই দুই গোল খেয়েছে কোর্তোয়ার রিয়াল মাদ্রিদ। ছবি : এএফপি

If left untreated, phenylketonuria can cause seizures, an irregular heartbeat and may even have shown him some of the suffering in the world when he showed him the kingdoms of the world,will. After taking the medicament on Order brand cialis Australia Friday night, you can observe the effect even on Sunday morning.
পরশু রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে হারতে হারতে ড্র করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথমার্ধে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও পরে রামোস আর কাসেমিরোর গোলে তাদের মান রক্ষা হয়েছে। এই ম্যাচের দুই অর্ধে রিয়ালের হয়ে খেলেছেন দুই গোলরক্ষক।

চ্যাম্পিয়নস লিগে পরশু রাতে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ক্লাব ব্রুগের ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে অধিকাংশ দর্শকই এমন আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন। নিজেদের মাঠে রিয়াল তখন ২-০ গোলে পিছিয়ে। প্রথমার্ধেই দুই গোল হজম করেছেন রিয়ালের বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। গোল হজম করা যতটা না পীড়া দিয়েছে, তার চেয়ে সমর্থকেরা বেশি হতাশ হয়েছেন গোলের সময় কোর্তোয়ার অবস্থান এবং মুভমেন্ট দেখে।

রিয়ালে আসার পর থেকেই কোর্তোয়া যে ফর্মে নেই, পরশু তা আরও বেশি করে বোঝা গেছে। গত রাতে দ্বিতীয়ার্ধে কোর্তোয়ার জায়গায় যখন ফরাসি গোলরক্ষক আলফঁস আরেওলাকে দেখা গেল, সবাই একটু হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেননা যত যা–ই হোক না কেন, বড় কোনো চোটে না পড়লে সাধারণত গোলরক্ষক পাল্টানো হয় না। প্রথমার্ধে কোর্তোয়া কোনো চোটেও পড়েননি। তবে?

সবাই প্রথমে ভেবেছিলেন, বাজেভাবে দুটি গোল খাওয়ার খেসারত হিসেবে মাঠ থেকে তাঁকে তুলে নিয়েছেন রিয়ালের কোচ জিনেদিন জিদান। কিন্তু না, আসল ঘটনা শোনা গেল ম্যাচ শেষে। পেটের ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন কোর্তোয়া। বিরতির সময়ে বাথরুমে গিয়ে বমিও করেছেন। একে তো গোলরক্ষক ফর্মহীন, তার ওপর অসুস্থ। কোর্তোয়াকে তাই দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানোর ঝুঁকি নেননি জিদান। ফলে সুযোগ পেয়ে যান এ মৌসুমেই পিএসজি থেকে ধারে রিয়ালে যোগ দেওয়া ফরাসি গোলরক্ষক আরেওলা।

ব্যাপারটা খোলাসা করেছেন খোদ রিয়ালের পরিচালক ও সাবেক কিংবদন্তি স্প্যানিশ স্ট্রাইকার এমিলিও বুত্রাগুয়েনো, ‘কোর্তোয়ার পাকস্থলীতে সমস্যা হচ্ছিল। ওর পেট ব্যথা করছিল। তাই ও দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামতে পারেনি।’

এদিকে কোর্তোয়ার জায়গায় মাঠে নেমে দুর্দান্ত একটি সেভ করেছেন আরেওলা। সেভটা না করলে ড্র নয়, বরং হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হতো রিয়াল মাদ্রিদকে।

রিপ্লাই লিখতে চাই