বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
খুলনা জেলার খানজাহান আলী থানা এলাকায় ঈদের নামাজ শেষে সংঘর্ষের ঘটনা।
এস.এম.শামীম, ব্যুরো প্রধান খুলনা
এলাকাবাসী সুএে যানা জায়
আটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিদের আদায়কৃত টাকা ভাগাভাগী কেন্দ্র করে ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৯ টায় এ সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। আটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ ময়দানে নামাজ পড়তে আসে মশিয়ালী পূর্ব পাড়া মসজিদ কমিটির লোকজন। নামাজ শেষে আদায়কৃত টাকা সম্পূর্ণ মসজিদ কমিটি নিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় ঈদগা কমিটি। পূর্বে জনপ্রতিনিধিরা নির্ধারণ করে দিয়েছিল ঈদগায়ে আদায়কৃত টাকা অর্ধেক মসজিদ কমিটি নেবে এবং অর্ধেক ঈদগাহ কমিটি নেবে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মশিয়ালী পূর্বপাড়ার হুমায়রা, সাগর ওহিদুল ফারুক শওকত সহ ১০/১২ জন আটরা পশ্চিমপাড়ার ঈদগাহ কমিটির হাফেজ শেখকে মারধর করে। ঘটনা শুনে খান জাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কবির হোসেন সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল উপস্থিত হলে খবর পেয়ে আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য শিরিনা আক্তার মীমাংসার জন্য ঘটনাস্থলে যান। পরবর্তীতে শিরিনা আক্তার ও খান জাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনার মীমাংসা করে দেয়। পরবর্তীতে মশিয়ালী পূর্বপাড়ার লোকজন হুমায়রা এর নেতৃত্বে শিরিনা মেম্বার ও তার ছেলেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা করে গুরুতর আহত করে। শিরিনা আক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে আসলেও তার ছেলে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্য শিরিনা আক্তার বলেন হুমায়রা জামাতের ইন্দনে এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের কাউন্সিলরদের নিয়ে এ আক্রমণ করেন। খান জাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কবির হোসেন বলেন এ ঘটনায় দুই পক্ষ দুটি অভিযোগ করেছে, তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।